খুতবাহ  : নরসিংদীতে বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে শিবপুর উপজেলার সৈয়দ নগরে (ইটাখোলা বাস্ট্যান্ডের অদূরে) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবারের ইজতেমা।

ইজতেমার জন্য ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে একটি খালি মাঠে ৫০ হাজার মানুষের ধারণক্ষমতা সম্পন্ন প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে। জেলা তাবলীগ জামায়াতের মারকাজের উদ্যোগে ইজতেমার আয়োজন করা হয়।

দুনিয়া ও আখেরাতে কামিয়াবী এবং আল্লাহর নৈকট্য হাসিলের উদ্দেশে ইজতেমায় যোগ দেবেন দেশ বিদেশের প্রায় ১ লাখ মুসল্লি। এরই মধ্যে ইজতেমা মাঠের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাবলিগ জামায়াতের মুরব্বীরা। বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে শেষ হবে শনিবার (৩০ ডিসেম্বর)।

ইজতেমায় নরসিংদী সদর, পলাশ, শিবপুর, মনোহরদী, বেলাব, রায়পুরা ও পার্শ্ববর্তী বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মুসল্লীসহ দেশ-বিদেশের লক্ষাধিক মুসল্লী ইজতেমায় অংশ নিয়েছেন।

সাতটি খিত্তায় মুসল্লীদের বসার স্থান করা হয়েছে এবং খিত্তাগুলোতে বিভিন্ন উপজেলার নামে সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে। এতে অনায়াসে মুসল্লীরা নিজ নিজ উপজেলার খিত্তায় বসতে পারবেন।

এছাড়া বিদেশি মেহমানদের জন্য আলাদা জায়গা করা হয়েছে। প্যান্ডেলের চারপাশে শতাধিক শৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। একইভাবে একাধিক রান্নার স্থান, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আয়োজকরা জানান, ৫০ হাজার মুসল্লীর জন্য প্যান্ডেল নির্মাণ করা হলেও ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লীর সমাগম ঘটেছে। এতে স্থান সংকুলানে হিমসিম খেতে হচ্ছে।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা ইসমাইল নুরপুরী  জানান, খেলাফত মজলিস নরসিংদী জেলা শাখা ইজতেমায় ফ্রি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করেছে। এ কেন্দ্র থেকে মুসল্লীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দুজ্জামান জানান, ইজতেমায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

AI